কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের নান্দলা গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে রাতের আঁধারে জোরপূর্বক গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সহোদর ভাই আ. হাসিমের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও কোন প্রতিকার পায়নি ভুক্তভোগী হাজী আ. হামিদ।
অভিযোগে জানা যায়, আ. হামিদের সাথে দীর্ঘদিন যাবত সহোদর ভাই আ..হাসিমের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ ব্যাপারে সামাজিক ভাবে চেষ্টা করে সমাধান হয়নি। বারবার আ. হামিদকে হত্যা ও জায়গা জমি দখলের হুমকি দিয়ে আসছিল আ. হাসিম। কিন্তু আ. হামিদ কিশোরগঞ্জ শহরের বত্রিশ এলাকায় বাসা থাকায় এখানে বসবাস করে আসছেন। বেশ কয়েকবার আ. হামিদের জমিতে প্রবেশে বাঁধা পেয়ে উৎপেতে থাকা হাসিমের লোকজন একবার মারধর করেন। এমন ঘটনার পরও গত ২ জানুয়ারি রাতে আ. হাসিম ও তার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আ. হামিদের গ্রামের নিজ বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও ও ১২টি মেহগনি গাছ কেটে ফেলে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশে খবর দিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ কাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পান। পরবর্তীতে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগ দেওয়ার পরও এখন পর্যন্ত কোন প্রতিকার মিলেনি। অভিযোগে আ. হাসিম ও তার স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন, শ্যালক জামাল মিয়াকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আ. হাসিমের সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অপরদিকে অভিযুক্ত জামাল মিয়া তার ব্যাপারে আনা অভিযোগটি মিথ্যা দাবি করেন।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ পাঠিয়েছি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata
